মোবাইল ব্যবহারে শিশুরা বিশ্লেষণী ভাবনায় দক্ষ হয়-গবেষণায় তথ্য
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক:ছোট থেকে মোবাইল ব্যবহার করা শিশু-কিশোররা অনেক বেশি তথ্য নির্ভর হয়। এমনই দাবি করেছেন গবেষকরা।
এক্ষেত্রে তাঁদের বক্তব্য,এই বয়সে শিশুদের মস্তিষ্ক অত্যন্ত সচল থাকে। এই বয়সে তারা যা যা দেখে, পড়ে বা শোনে, তা তারা সহজে শিখে নিতে পারে।
আধুনিক যুগে ছোটবেলায় মন ভোলানোর জন্য শিশুদের হতে মোবাইল ফোন ও ট্যাব ধরিয়ে দিয়ে থাকেন অভিভাবকরা। অনেকে তাতেই মেতে থাকে ।
কম্পিউটারস ইন হিউম্যান বিহেভিয়র শীর্ষক সমীক্ষামূলক লেখায় এই তথ্য সামনে এসেছে। খুঁটিনাটি বিষয়ের উপর থাকে তাদের নজর। কোনও ছবি বা বিশেষ প্রেক্ষাপট সেই শিশুদের আকর্ষণ করে না বলেও জানানো হয়েছে। সব প্রি-স্কুল পড়ুয়ারা মোবাইল ডিভাইজ ব্যবহার করে ,তাদের কাছে তথ্যনির্ভর শর্ট টার্ম গেম বেশি প্রভাব ফেলে বলে দাবিও করেছেন গবেষকরা ।
উল্লেখ করা যায়,এই সমীক্ষাটি করেছেন হাঙ্গেরির বুদাপেস্টের ইয়টভোস লোরান্ড ইউনিভার্সিটির গবেষকরা। এক্ষেত্রে তাঁদের বক্তব্য, মোবাইলে গেম খেলা শিশুরা ভাবনা ও চিন্তায় অন্যান্য শিশুদের থেকে ভিন্ন হয় । এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, মোবাইলে কোনও বেলুন ফাটানোর গেম খেললে তা শিশুদের প্রভাবিত করে। এই অভ্যাসের বাইরে থাকা শিশুদের ফোকাস অনেকটা বিশ্বকেন্দ্রিক হয়ে থাকে বলেও জানিয়েছেন গবেষকরা। সাধারণ চোখে অনেকেই মনে করেন, শিশু বয়স থেকে মোবাইল হাতে বসে থাকাটা মোটেই ভাল বিষয় নয়। এরফলে শিশুদের মানসিক বিকাশ ব্যাহত হয় বলে অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
হাঙ্গেরির বুদাপেস্টের ইয়টভোস লোরান্ড ইউনিভার্সিটির গবেষকরা মনে করেন,মোবাইল সব সময় শিশুদের মনে খারাপ প্রভাব ফেলে, এমনটা নয়। এর ভাল দিকও রয়েছে। এগুলি অবজ্ঞা করা উচিৎ নয় বলে মনে করেন তাঁরা। সমীক্ষায় আরও জানানো হয়েছে, মোবাইল ডিভাইজে দক্ষ শিশুরা বিশদ ভাবনায় আলোকিত হতে পারে। পরবর্তীদিনে তারা বিশ্লেষণী চিন্তাভাবনায় দক্ষ হয়ে ওঠে। এক্ষেত্রে তাদের সৃজনশীল ও সামাজিক দক্ষতা অন্যান্যদের তুলনায় কম হয় বলেও গবেষণায় জানানো হয়েছে। শিশুরা বৈজ্ঞানিক ভাবনায় বিকশিত হয়। শৈল্পিক ও সামাজিক গুণ কম থাকে বলেও গবেষণায় জানানো হয়।
খবরটি পড়ে ভালো লাগলে লাইক-কমেন্ট ও শেয়ার করে পাশে থাকবেন।

